মৃত্যুর পর?

এই মুহূর্তে আপনি বেঁচে আঁচেন; আপনি নিঃশ্বাস নিচ্ছেন; প্রতিদিনই কিছু খাচ্ছেন ও জল পান করছেন। আমরা চলাফেরা কর অথবা কাজ কর এবং ঘুমাই। হয়ত আমরা আরামে জীবন কাটাই অথবা কষ্টে থাকি। সূর্য উঠে আবার অস্ত যায়; কোথাও একটি শিশু জন্ম নিচ্ছে, কিন্তু আবার কোথাও প্রতিদিনই কেউ না কেউ মারা যাচ্ছে।

পুরো জীবনটাই একটা অস্থায়ী ব্যবস্থা

কিন্তু

মৃত্যুর পর আমি কোথায় জাই

যদিও আমি একজন নামমাত্র খ্রিষ্টীয়ানঃ

অথবা একজন মুসলমান, অথবা একজন হিন্দু,

অথবা একজন বৌদ্ধ, অথবা একজন ইহুদী,

অথবা অন্য কোন ধর্মের কেউ

অথবা কোন ধর্মে বীশ্বাস করি না।

অথাপি আমাদের এই অত্যন্ত প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর ঠিক  করা করকার, কারণ পৃথিবীতে অল্পদিন থাকার পর, মানুষকে তার চিরকালের বাসস্থানে চলে যেতে হবে।

কিন্তু কোথায়?

কারনঃ যেখানে আপনাকে কবর হবে, সেখানে আপনার আত্নার কবর হবে না, অথবা আপনার শরীর যদি কোন বন্য পশু অথবা পাখি খেয়ে ফেলে, এটি আপনার আত্না খেতে পারে না, যদি আপনার শরীর শ্নশানে পুড়য়ে ফেলা হয়, আপনার আত্না পুড়ে ছাই না, অথবা আপনি যদি সাগরের অতল গভীরে ডুবে জীবন হারান, আপনার আত্না ডুবে যাবে না।

আপনার আত্না কখনও মরবে না

স্বর্গে ও পৃথিবীর ঈশ্বর বলেন,

সম্পূর্ণ পাঠঃ মৃত্যুর পর?

“সমস্ত প্রাণ আমার”

আপনি যখন এই জগতে বেঁচে ছিলেন, তখন ভাল বা মন্দ যা-ই করেছেন,আপ্নার করা কাজের হিসাব মৃত্যুর পর ‘আপনাকে’ অর্থাৎ আপনার আত্নাকে দিতে হবে।

আমরা হয়ত দিশ্বাস্তভাবে উপাসনা করি।

আমরা হয়ত আমাদের করা খারাপ কাকের জন্য দুঃখিত হই।

আমরা হয়ত চুরি করা জিনিস ফিরিয়ে দিই।

নিশ্চয়ই এসব খুব দরকারী –

কিন্তু

আমরা আমাদের নিজ পাপের পায়শ্চিত্ত করতে পারি না।

স্বর্গের ঈশ্বর, সারা পৃথিবীর ধার্মিক বিচারক আপনার পাপ ও জীবন জানেন-, তাঁর কাছে কিছুই লুকানো নয়। আপনি, আপনার পাপ নিয়ে কখনও আগামী জগতের (স্বর্গের) পরমসুখ ও গৌরবের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবেন না।

কিন্তু

এই একই স্বর্গের ঈশ্বর হলেন ভালবাসার ঈশ্বর। আপনার জীবন ও আত্না উদ্ধারের জন্য তিনি এক পথ প্রস্তুত করেছেন। আপনি যদি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন ও আপনার পাপ স্বীকার করেন, আপনাকে অনন্ত বিচারে ও নরকের আগুনে আভিশপ্ত করা হবে নাল ঈশ্বর তাঁর পুত্র যীশু খৃষ্টের মাধ্যমে আপনাকে ক্ষমা করবেন।

এই যিশু আপনার মন্দ কাজের জন্য শাস্তি পেয়েছেন এবং যদি আপনি এই যিশু ও একমাত্র প্রভুর কাছে উপাসনা ও প্রার্থনা করেন, তিনি আপনার জিবনে শান্তি দেবেন এবং মৃত্যুর পরে এক গৌরবময় জীবন দেবেন। কিন্তু এই যীশু-জিবন্ত ঈশ্বরের পুত্র, অবশ্যই প্রথমে আপনার ব্যক্তিগত উদ্ধারকর্তা হবেন। শুধুমাত্র তকনই আপনি আপনার আত্নার জন্য মহা আনন্দ ও সাত্বনার এক অনন্ত বাসস্থান নিশ্চিত করতে পারেন। কিন্তু হাই! যারা এই জীবনকালে যীশুর উদ্ধারকারী ভালবাসাকে গ্রহন করে নাই, তাদের জন্য কঠিন বিচার ও অনন্ত আগুন অপেক্ষা করেছে। মৃত্যুর পর কিছুতেই মন ফিরানো যাবে না ও রক্ষা পাওয়া যাবে না। “পরে তিনি তাঁর বাঁ দিকের লোকদের বলবেন, “ওহে অভিশপ্ত লোকেরা আমার কাছ থেকে তোমরা দূর হও। সয়তান ও তার দূতদের জন্য যে চিরকালের আগুন প্রস্তুত করা হয়েছে তার মধ্যে যাও।“ (মথি ২৫:৪১ পদ)। “ঐ অপদার্থ দাসকে তোমরা বাইরের অন্ধকারে ফেলে দাও; সেখানে লোকে কান্নাকাটি করবে আর যন্ত্রণায় দাঁতে দাঁত ঘষতে থাকবে।“ (মথি ২৫:৩০ পদ)।

পবিত্র বাইবেলে ঈশ্বর পৃথিবীতে আগত শেষ বিচারের বিষয়ে অনেকার সতর্ক করেছেন। এই পবিত্র বাক্যগুলিতে এই বিষয়ে ভবিষ্যতবাণী বলা হয়েছে যে, স্নরনীয় বিচারের দিনের পূর্বে সুস্পষ্টভাবে বোঝা যাবে ও বাইবেলে লিখীত চিনহ্ন দেখা যাবে।

যীশু আসার আগে জুদ্ধ হবে ও জুদ্ধের কলরব, দুর্দ্দশা ও জাতিদের মধ্যে জটিলতা দেখা দেবে-তা হল, এক জাতি অন্য জাতির বিপক্ষে যুদ্ধ করবেন- এবং মনোভাব ও মতের বিভেদ মেটাবার কোন পথ খুঁজে পাবে না।

বিভিন্ন জায়গায় ভূমিকস্প হবে ও মহামারী দেখা দেবে। সম্প্রতি বছরগুলিতে এইগুলি প্রচুর পরিমাণে ঘটছে। বাইবেলে আগেই বলা হয়েছে, মন্দ লোকেরা আরও মন্দ হতে থাকবে।। এই আগেই বলা হয়েছে, মন্দ লোকেরা আরও মন্দ হতে থাকবে। এই সময়ে লোকেরা সাবধান হবে না কিন্তু ঈশ্বরকে ভালবাসার চেয়ে বরং আমোদ-প্রমোদ করতেই বেশী ভালবাসবে। বাইবেলে পড়ুন, (মাথি ২৪:৬, ৭, ও ১২ পদ)।

আসুন, মনে রাখি যে আমাদের ন্যায় ও মহান বিচারক ঈশ্বর আমাদের বর্তমান সম্পদ অথবা দারিদ্র্যতা, সুনাম অথবা অসম্নান, রং, কুল, জাতি অথবা ধর্মমতের দ্বারা প্রভাবিত হবেন না। একদিন আমরা আমাদের মহান সৃষ্টিকর্তা ও প্রভুর দ্বারা আমাদের করা কাজের কারণে বিচারিত হওয়ার জন্য, তাঁর সামনে দাঁড়াব। বাইবেলে পড়ুন, (মাথি ২৫:৩২, ৩৩ পদ)।

সীমাহীন অনন্তকালে কোন ঘড়ি থাকবে না, থাকবে নাকোন বার্ষিক দিনপঞ্জিকা ও শতাব্দীর হিসাব।

পাপী ও অবিশ্বাসীদের যন্ত্রণার ধুয়া চিরকাল উপরে উঠতে থাকবে-একই সময়ে উদ্ধারপ্রাপ্তরা স্বর্গে সীমাহীন আনন্দ করবে, গান গাইবে, পরমসুখে, ও আরামে থাকবে।

আপনি একনই পছন্দ করুন! তা না হলে হয়ত বেশী দেরী হয়ে যাবে। “দেখ, এখনই উপযুক্ত সময় আজই উদ্ধার পাবার দিন।“ বাইবেলে পড়ন, (২ করিন্থীয় ৬:২ খ পদ এবং মথি ১১:২৮-৩০ পদ)।      

 

আমাদের সংগে যোগাযোগ করুন

ট্র্যাক্টস- এর জন্য আবেদন

আপনার সমস্যার সমাধান

আপনি কি নিঃসঙ্গতা অনুভব করেন, অথবা হৃদয়ের গভীরে এক ধরনের অপরাধবোধ এবং ভয় অনুভব করেন? আপনি কি কখনও আপনার জীবনের উদ্দেশ্যের বিষয়ে চিন্তা করেন? অনেকেই এ ধরনের অনুভূতির উত্তর খুঁজে পেতে চেষ্টা করে থাকে। কোন উৎসব অথবা বিনোদন কিছু সময়ের জন্য এই অনুভূতিগুলিকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে। সম্ভবতঃ তারপরেই এইগুলি আগের চেয়ে আরো কঠিনভাবে আপনার জীবনে ফিরে আসে।

সৃষ্টির শুরুতেই ঈশ্বর মানুষকে নির্দোষ করে সৃষ্টি করেছিলেন। মানুষের কোন সমস্যা ছিল না। কিন্তু শয়তান এসে মানুষকে বিপথে চালিয়ে ঈশ্বরের অবাধ্য করল। মানুষ পাপের মধ্যে পড়ল। সে আর নির্দোষ থাকতে পারল না। সেই সময় থেকেই সব মানুষ পাপী।

মানুষ হিসাবে আপনিও কি মনে করেন, এই পাপের সাথে আপনি জড়িত? যখন আপনি শিশু ছিলেন, তখন নির্দোষ ছিলেন। ঈশ্বর আপনার পাপ মনে রাখেন নাই, কিন্তু যীশুর কারনে ক্ষমা করেছিলেন। আপনি যখন বড় হতে শুরু করলেন, তখন এসবের পরিবর্তন শুরু হল। আপনার জীবনে নানা বিরক্তিকর অনুভতি আসতে শুরু করল। কেন এরকম হচ্ছে? কারন, ঈশ্বর আপনাকে আপনার পাপের অপরাধবোধ বুঝতে দিচ্ছিলেন। এখন যীশুর রক্ত আপনার পাপকে ঢেকে দিতে পারছে না। ঈশ্বর বলেছেন, 'আপনি যা করছেন, তার জন্য আপনি নিজেই দায়ী।' যদি সেই সময় আপনি যীশুকে উদ্ধারকর্তা হিসাবে গ্রহন না করেন, তাহলে নিঃসঙ্গ ও অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছেন।

এইসব বিরক্তিকর অনুভতি পরিবর্তন করার জন্য আপনি কি করতে পারেন? আপনি যত ভাল কাজই করেন না কেন, তা আপনার পাপের মূল্য হতে পারে না। ঈশ্বরের দৃষ্টিতে আপনি তখনও একজন পাপী। ঈশ্বর পাপ সহ্য করেন না। আর পাপই ঈশ্বরের কাছ থেকে আমাদের আলাদা করে রেখেছে। বাইবেলের যিশাইয় ৫৯: ২ পদ দেখুন।

এখন, এখানে আপনার জন্য এক সহজ-সরল ও সুন্দর পরিকল্পনার কথা বলছি, যা ঈশ্বর আপনাকে সাহায্য করার জন্য করেছেন। মানুষ নির্দোষ হতে পারে না, কারন মানুষ পাপি। কারন ঈশ্বরের দাবী, "তোমাদের ঈশ্বর সদপ্রভুর সামনে তোমাদের নির্দোষ থাকতে হবে।" (দ্বিতীয় বিবরণ ১৮: ১৩ পদ)। তখন ঈশ্বরের নিস্পাপ ও নির্দোষ পুত্র যীশু আসলেন, মানুষকে বললেন কিভাবে জীবন-যাপন করতে হবে। যীশু তাঁর নিজের উপর আমাদের পাপভার তুলে নিলেন, আমাদের জন্য ক্রুশে প্রান দিলেন এবং দাবী অনুসারে মূল্য পরিশোধ করলেন। যীশু একজন নির্দোষ মানুষ ছিলেন, সেই জন্য একমাত্র তিনিই পাপের মূল্য পরিশোধ করতে পেরেছিলেন। যীশুর মৃত্যু ও জীবিত হয়ে ওঠার মধ্য দিয়েই আমরা উদ্ধার পেতে পারি। ঈশ্বর আপনাকে সাহায্য করতে চান। তাই, যখনই আপনি নিজেকে পাপী বলে স্বীকার করবেন, তিনি তখনই আপনাকে ক্ষমা করবেন, কারন আপনার সব চেষ্টা ও সৎ ইচ্ছা পাপ থেকে আপনাকে শুচি করতে পারে না।

সম্পূর্ণ পাঠঃ আপনার সমস্যার সমাধান

একটা মাত্র উপায়ে আপনি আপনার পাপ থেকে শুচি হতে পারেন; তা হল-যদি আপনি যীশু খ্রীষ্টের রক্তে আপনার হৃদয় ধুয়ে পরিষ্কার করেন। এখন হয়তো আপনি ভাবছেন-কিভাবে আপনার জীবন পরিস্কার হতে পারে? আপনাকে স্বীকার করতে হবে যে আপনি একজন পাপী এবং আপনার জীবন নিজের শক্তিকে পরিবর্তন করতে পারেন না। আপনাকে অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে যে, ঈশ্বরের জ্ঞান এবং বুঝবার ক্ষমতা, আপনার চেয়ে অনেক বেশী। ঈশ্বর জানেন, আপনার জীবনের জন্য কি সবচেয়ে ভাল। তাই সমস্ত হৃদয় নিয়ে ঈশ্বরের কাছে আসুন; আপনার পাপ পরিত্যাগ করুন এবং তাঁর পায়ে আপনার সমস্ত জীবন সমর্পণ করুন। যা সবচেয়ে ভাল, ঈশ্বর তাই-ই করবেন। আপনার জীবনে ঈশ্বরের উপর পরিপূর্ণ নির্ভরতা রাখাই হল-বিশ্বাস। আর যখন সত্যি করেই ঈশ্বরকে আপনি আপনার সবকিছু দেবেন, তখন তিনি আপনাকে ক্ষমা করে দেবেন। আপনার হৃদয়ে যে শান্তি পাবেন,তাই-ই প্রমান করবে যে ঈশ্বর আপনাকে ক্ষমা করেছেন।

ঈশ্বরের কাছ থেকে যে শান্তি আপনি পাবেন, সেই শান্তি আপনাকে মুক্ত করবে। ছোট বেলায় আপনি যেমন ছিলেন তেমন হবেন, বিরক্তিকর অনুভতি থেকে মুক্তি পাবেন, মুক্ত হবেন সেই মধুর দৃঢ় বিশ্বাসে যে এখন আপনি ঈশ্বরের সন্তান যাকে যীশু খ্রীষ্টের রক্তে নির্দোষ করা হয়েছে।

বাইবেলের এই অংশগুলি পড়তে অনুরোধ করছিঃ

মথি ১১: ২৮ পদআমার কেছে এস,

মথি ৬ :২৫-৩১ পদঈশ্বর আপনার দিকে লক্ষ্য রাখেন,

যোহন ৩ :১৬ পদঈশ্বর আপনাকে ভালবাসেন,

যোহন ১৪: ১৫ পদঈশ্বরের বাধ্য থাকুন

আমাদের সংগে যোগাযোগ করুন

ট্র্যাক্টস- এর জন্য আবেদন

আপনার নতুন করে জন্ম হওয়া দরকার

যীশু আমাদের বলেন যে স্বর্গের দরজাগুলি আমাদের জন্য বন্ধ যদি না আমাদের নতুন করে জন্ম হয়। এই জন্য আমরা প্রশ্ন করিঃ বন্ধু, আপনার কি নতুন করে জন্ম হয়েছে? গির্জার সদস্য, আপনার কি নতুন করে জন্ম হয়েছে? যদি না হয়ে থাকে আপনি হারিয়ে পেছেন। কারণ যীশু বলেন, “...নতুন করে জন্ম না হলে কেউ ঈশ্বরের রাজ্য দেখতে পায় না।“ (যোহন ৩:৩খ পদ)

কিন্তু আপনি পশ্ন করতে পারেন, নতুন করে জন্ম হওয়া মানে কি? প্রথমে আমরা বলব, বাপ্তিষ্ম গ্রহণ করা নতুন জন্ম নয়, কারণ অনেকে বাপ্তিষ্ম নিয়েছে এবং এখনও নতুন করে জন্ম হয় নাই। বাইবেলে পড়ুন (প্রেরিত ৮:১৮-২৫ পদ)। নতুন করে জন্ম হওয়া মানে শুধু গির্জায় যোগ দেওয়া নয়, কারণ অনেকে হঠাৎ ভুল করে যায়। বাইবেলে পড়ুন, (গালাতীয় ২:৮ পদ)। নতুন করে জন্ম হওয়া মানে শুধু প্রভুর ভোজ খাওয়া নয়, কারণ অনেকে অযোগ্যভাবে খেয়েছে এবং তা তাদের জন্য দন্ঠ দত্ত দস্ত দণ্ড বয়ে এনেছে। বাইবেলে পড়ুন (১ করিন্থীয় ১১:২৯ পদ) নতুন জন্ম করে হওয়া মানে সংশোধিত বা আরো ভাল জীবন জাপনের চেষ্টা করা নয়। “......কারণ অনেকেই ঢুকতে চেষ্টা করবে কিন্তু পারবে না।“ (লূক ১৩:২৪ পদ) নতুন করে জন্ম হওয়া মানে শুধু প্রার্থনা করা নয়, কারণ যীশু বলেন, “এই লোকেরা মুখেই আমার সম্মান করে, কিন্তু তাদের অন্তর আমার কাছ থেকে দূরে থাকে।“ (মথি ১৫:৮ পদ)।

অনেকে হয়ত বলে থাকে, ‘যদি চেষ্টা করি আমি সবই করতে পারি; গরীবদের দান করা, অসুস্থদের দেখাশুনা করা এবং প্রতিদিন জতটা পারি ভাল হওয়া, তাহলে নিশ্চয়ই আমার নতুন করে জন্ম হয়েছে।‘ না, আমরা যা নই তা হতে পারি না। “কারণ পাপ স্বভাবের মন ঈশ্বরের আইন-কানুন মানতে চায় না, মানতে পারেও না।“ (রোমীয় ৮:৭খ পদ)। আমাদের অবশ্যই হৃদয়ের পরিবর্তন দরকার। কারণ ঈশ্বর নবীদের মাধ্যমে বলেছেনঃ “আমি তোমাদের ভেতরে নতূন অন্তর ও নতুন মন দেব;” (জিহিষ্কেল ৩৬:২৬ ক পদ)।

তাহলে, নতুন করে জন্ম হওয়ার মানে কি? কিভাবে এবং কখন আমরা তা গ্রহণ করতে পারি? যীশু বলেন, “মানুষ থেকে যা জন্ম তা মানুষ......” যোহন ৩:৬ পদ)। যখন একটি শিশু জন্মে একটি নতুন জীবনের জন্ম হয়। তাই একিভাবে যখন আমাদের নতুন করে জন্ম হয়, তখন আমাদের অন্তরে খ্রীষ্ট যীশুর জীবনের মত করে নতুন এক আত্না জন্ম নেয়। এইজন্য এটাকে জন্ম বলা হয় – খ্রীষ্ট যীশুতে এক নতুন জীন যা অনন্তকাল বেঁচে থাকবে।

সম্পূর্ণ পাঠঃ আপনার নতুন করে জন্ম হওয়া দরকার

যদি আমরা হারানো, ভারাক্রান্ত পাপী হিসাবে শান্তির জন্য আকাঙ্খা নিয়ে ও দুঃখিত হয়ে কেঁদে কেঁদে ঈশ্বরের কাছে এসে বলি, “পরিত্রাণ পেতে হলে আমাকে অবশ্যই কি করতে হবে?” তখন আমরা অবশ্যই, তাই করব যেমন পৌল বলেছিলেন, “প্রভু যীশুর উপরে বিশ্বাস করুন।“ আমাদের অবশ্যই সম্পূর্ণভাবে ঈশ্বরের কাছে আত্নসমর্পণ করতে হবে।

যে ঈশ্বর মনের ভিতরে আপনার সরলতা দেখেন। তিনি পবিত্র আত্নার শক্তির মাধ্যমে আপনার কাছে আসেন এবং আপনার ভিতরে একটি সত্য আত্না সৃষ্টি করেন। বাইবেলে পড়ুন, (গীতসংহিতা ৫১:১০ পদ)। এভাবে আপনার নতুন করে জন্ম হয় – ঈশ্বর বিশ্বাসের দ্বারা খ্রীষ্ট যীশুতে এক নতুন সৃষ্টি। বাইবেলে পড়ুন, (২ করিন্থীয় ৫:১৭ পদ)।

কিন্তু কখন আমি নতুন জন্মর আশা করতে পারি? ঈশ্বর পবিত্র আত্নার মাধ্যমে বলেন, “......আজ যদি তোমরা তাঁর কথায় কান দাও,” (ইব্রীয় ৩:৭খ পদ)। এর অর্থ যে কোন সময়ে অথবা যে কোন স্থানে যদি আমরা এই (পবিত্র আত্নার) ডাক শুনি ও সাড়া দেই, আমরা আত্নার দ্বারা নতুন জন্ম পেতে পারি, এভাবে ঈশ্বরের সন্তান হতে পারি।

কিন্তু এতে কত সময় লাগবে, আমাকে কি অবশ্যই নতুন জন্মর মধ্যে বৃদ্ধি পেতে হবে না? না, আমরা ঈশ্বরের রাজ্যে জন্মেছি; তা আমাদের তাঁর সন্তান ও উত্তরাধিকারী করে তোলে, এবং আমরা পূর্ণ আত্নসমর্পণ  ও যীশুর কাছে ক্ষমা চাওয়ার মুহূর্তেই এই স্থান অধিকার করতে পারি।

শেষে, কিভাবে আমি জানতে পারি যে, আমার নতুন করে জন্ম হয়েছে? পৌল, বাইবেলের রোমীয় ৮ অধ্যায় ১, ৬, ৯, ও ১০ পদে শিক্ষা দিয়েছেন, “যার অন্তরে খ্রীষ্টের আত্না নেই সে খ্রীষ্টের নয়।“ বাইবেল শিক্ষা দেয় – যারা হারানো তারা পাপে মৃত, দন্দিত, মন্দ – বিবেক সম্পন্ন, পাপ-স্বভাবমনা, আশাহীন, অবাধ্য, পৃথিবীতে ঈশ্বরবিহীন। অপরদিকে, একজন নতুন জন্ম পাওয়া খ্রীঊষ্টিয়ান একজন ঈশ্বরের সন্তান, খ্রীষ্টে জীবিত, পরিত্রাণ প্রাপ্ত, অদন্দিত, সু-বিবেকসম্পন্ন, আত্নিকমনা, পবিত্র আত্নায় পরিপূর্ণ এবং বিশ্বাসে পরিপূর্ণ, অনন্ত জীবনে আশাবাদী। তার পাপ যীশুর রক্তে মুছে গেছে। তার হৃদয় এমন ভালবাসা ও শান্তিতে  পরিপূর্ণ, যা ভাবা যায় না। সে প্রভুর ইচ্ছা পালন করতে ভালবাসে, আগ্রহ প্রকাশ করে ও ক্ষমতা রাখে। সে মৃত্যুর পরও আশাবাদী এবং স্বর্গবাসী হবার প্রত্যাশী। এমন পরিবর্তন (পার্থক্য) জেনেও কি কেউ তা কার্য্যে  পরিণত করবে না? সম্ভবত নয়! কারণ, “পবিত্র আত্না নিজে আমাদের অন্তরে এই সাক্ষ দিচ্ছেন যে, আমরা ঈশ্বরের সন্তান।“ (রোমীয় ৮:১৬ পদ)।

প্রিয় পাঠক, আত্নার জন্য বয়ে আনা শান্তি ও আনন্দের আভিজ্ঞতা যদি আপনার না হয়ে থাকে, নিশ্চিন্তে বিশ্রাম করবেন না, কারণ আপনি ঈশ্বর ও আপনার আত্নাকে তুচ্ছে মনে করছেন। আপনার নতুন করে জন্ম হওয়া দরকার। 

আমাদের সংগে যোগাযোগ করুন

ট্র্যাক্টস- এর জন্য আবেদন